ঢাকা শুক্রবার
১২ জুলাই ২০২৪
২২ জুন ২০২৪

আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন,প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা


ডেস্ক রিপোর্ট
112

প্রকাশিত: ১৭ মার্চ ২০২৪ | ১০:০৩:৪৩ এএম
আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন,প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ফাইল-ফটো




জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।রোববার (১৭ মার্চ) সকাল ৭টা ৪ মিনিটে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে এ শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা।
সকাল সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং সারা দেশে সংগঠনের সব কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় নেতারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। একইসঙ্গে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং শিশু সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন তারা।

আজ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এ ছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আগামীকাল ১৮ মার্চ (সোমবার) সকালে তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে দলের পক্ষ থেকে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে জাতির পিতার জন্মদিন উপলক্ষে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, জাতির মহানায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২০ সালের এই দিনে তদানীন্তন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।পিতা শেখ লুত্ফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুনের চার কন্যা ও দুই পুত্রের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তৃতীয়।
 
নানা ঘাত-প্রতিঘাত, ত্যাগ-তিতিক্ষা আর আন্দোলন-সংগ্রামে মুজিব হয়ে ওঠেন বঙ্গবন্ধু। আর বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা। জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনেও রয়েছে হাজারো ত্যাগ-তিতিক্ষার গল্প। এই দিনে তার জন্মের মধ্য দিয়ে যেন এসেছিল শোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির বার্তা।

কিশোর বয়সেই জানান দিয়েছিলেন তিনিই বাঙালির ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি।নদী-খাল আর শ্যামলিমায় ঘেরা গ্রামেই কেটেছে তার শৈশব-কৈশোর। স্কুলে পড়ার সময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করে খেটেছেন জেলও।তিনি কিশোর বয়সেই সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময়ে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে প্রথমবারের মতো গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করেন।পরবর্তী সময়ে বাঙালির শোষণ মুক্তির আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন। 
তিনি ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২-র শিক্ষা আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৬৬-র ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-র গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচন ও একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিণত হন। 

বঙ্গবন্ধু জাতিকে যে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন তা ব্যর্থ করতে সদ্যঃস্বাধীন দেশেই ষড়যন্ত্রকারীরা নানা তৎপরতা শুরু করে।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল বিপথগামী সেনা সদস্য বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।

মহানায়কের জন্মদিন উপলক্ষ্যে সারা দেশে দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। 


আরও পড়ুন: